What is called Razakar in bangladesh?

Razakar (Bengali: রাজাকার) was the name given to a paramilitary force organized by the Pakistan Army during the Bangladesh Liberation Warin 1971.

The word razakar, originating from Persian, literally means "volunteer". The Razakar force was composed of mostly pro-Pakistani Bengalis and Urdu-speaking migrants living in erstwhile East Pakistan (now Bangladesh). Initially, the force was under the command of local pro-Pakistani committees, but through the East Pakistan Razakar Ordinance (promulgated by General Tikka Khan on 1 June 1971) and a Ministry of Defence ordinance (promulgated 7 September 1971), Razakars were recognized as members of the Pakistan Army. Razakars were allegedly associated with many of the atrocities committed by the Pakistan Army during the 9-month war (see 1971 Bangladesh atrocities).

Creation

In 1971, after military cracksdown, Razakar force was created under Pakistan Army Act Sub-Section 1. Under Sub-Section 2 and 5 two other paramilitary forces Al-Badr and Al-Shams were created as well in 1971. The Pakistan government published gazette of these in Spetember,1971 from Rawalpindi's Army Headquarter. After gazette the Razakars started excuting and eliminating pro-independence Bangladeshis. Later on, Pakistani President published notification, and Razakars were receiving monthly salary and ration ( food supplies). Major General Jamsid was head of Razakar force.

Al-Badr force was created in October and started operation in November.

Shanti Komiti ( Peace Committee ) was created politically where Golam Azam and Khza Khairuddin was in charge of peace committee [1]These Pakistani offsprings were organized into Brigades of around 3-4000 volunteers , mainly armed with Light Infantry weapons provided by the Pakistani Army. Each Razakar Brigade was attached as an auxiliary to two Pakistani Regular Army Brigades, and their main function was to arrest and detain nationalist Bengali suspects. Usually such suspects were often tortured to death in custody. The Razakars were trained in the conventional army fashion by the Pakistan Army.

Following the liberation of East Pakistan as the independent country of Bangladesh, most of the leading Razakars, allegedly includingGhulam Azam, fled to Pakistan (previously West Pakistan). Ghulam Azam maintains that he went to Pakistan to participate in the Annual General Meeting of his organization, the Jamaat-e-Islami, but he was forced to remain overseas until General Ziaur Rahman allowed him to return to Bangladesh. Many of the lower ranking Razakars who remained in Bangladesh were killed in the course of reprisals immediately after the end of fighting while as many as 36,000 were imprisoned. Of the latter many were later freed mainly because of pressure from US and China who backed Pakistan in the war, and because Pakistan was holding 200,000 Bengali speaking military and civilian personnel who were stranded in West Pakistan during the war.[2]

After the restoration of democracy in 1992, an unofficial and self-proclaimed “People's Court” (Bengali: গণআদালত Gônoadalot) “sentenced” Ghulam Azam and his ten accomplices to death for war crimes and crimes against humanity. However, as the Islamist Jamaat-e-Islami party was already a part of the ruling alliance in Bangladesh, the “verdict” was ignored. Moreover, the then Bangladesh Nationalist Party (BNP) government re-granted Bangladeshi nationality to Ghulam Azam, as it had been taken from him after the war. Subdued during the rule ofAwami League from 1996-2001, Jamaat-e-Islami returned in full force after the next election in October 2001 in which a four party alliance led by BNP won a landslide victory. The new leader of Jamaat after Ghulam Azam’s retirement, Motiur Rahman Nizami, a Razakar and among the ten people tried by the Gônoadalot, became an influential minister in the government.

The word রাজাকার razakar today carries the meaning "traitor" in common Bangladeshi Bengali parlance, similar to the usage of the word Quisling after the Second World War.

Sunday, July 21, 2013

সেপ্টেম্বরের মধ্যে হতে পারে বলে আশাবাদী প্রসিকিউশন ॥

সেপ্টেম্বরের মধ্যে হতে পারে বলে আশাবাদী প্রসিকিউশন ॥ ৫ মামলার রায়
০ পাঁচ মামলায় অভিযুক্তরা- সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আব্দুল আলীম, আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মাঈনুদ্দীন ও মতিউর রহমান নিজামী
০ অক্টোবরের মধ্যে তিন রায়ের দণ্ড কার্যকর করার আশা
০ জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি
বিকাশ দত্ত ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ১৭টি মামলার মধ্যে ৫টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে রায় ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে আপিল বিভাগে মামলা নিষ্পত্তি হয়ে অক্টোবরের কয়েকটি মামলার রায় কার্যকর হবার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রসিকিউশন পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যেভাবে দুটি ট্রাইব্যুনালে শুনানি এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা আশা করছি সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুুরী, আব্দুল আলীম, আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মাঈনুদ্দীন ও মতিউর রহমান নিজামীর মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে আগস্ট অথবা সেপ্টেম্বরে রায় ঘোষণা হবার সম্ভাবনা রয়েছে। আপীলে কাদের মোল্লার মামলার বিষয়টি দেরি হলেও অন্যদের ক্ষেত্রে তা হবে না। একই সঙ্গে প্রসিকিউশন পক্ষ জানিয়েছে, কয়েকটি রায়ের পর্যবেক্ষণে জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাসী সংগঠন এবং সব প্রতিষ্ঠান থেকে জামায়াতেদের সরিয়ে দেয়া উচিত এমন মতামতের পর জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্ততি নেয়া হচ্ছে। প্রসিকিউশন সূত্রে এ খবর জানা গেছে।
ভারপ্রাপ্ত এ্যার্টনি জেনারেল এম কে রহমান জনকণ্ঠকে বলেছেন, এ পর্যন্ত ৬টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এখন যে মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে, তার মধ্যে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, আব্দুল আলীম, আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মাঈনুদ্দীন ও মতিউর রহমান নিজামীর মামলা দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি আশা করছি আগস্টের মাঝামাঝি অথবা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এই ৫টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায় ঘোষণা করা হতে পারে। একই সঙ্গে দুটি ট্রাইব্যুনালে যে সমস্ত আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলো আপীল বিভাগে শুনানি শেষে অক্টোবরের রায় কার্যকর করা হতে পারে। তিনি আরও বলেন আপীল বিভাগে কাদের মোল্লার মামলাটি শুনানির ক্ষেত্রে সময় নিচ্ছে। যেহেতু এই মামলাটিতে রায়ের পর সরকার পক্ষের আপিল করার বিধান করা হয়েছে। সে জন্য বেশ কয়েকজন এ্যামিকাস কিউরির মতামত নেয়া হচ্ছে। অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে তা হবে না।
৭ মাসে ৬টি রায় ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধীদের বিচারের জন্য ২০১০ সালে পুরাতন হাইকোর্ট ভবনে স্থাপন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মামলার সংখ্যা বাড়াতে এবং নিরপেক্ষ ও দ্রুত মামলার কাজ শেষ করার লক্ষ্যে ২০১২ সালের ২২ মাসে আরেকটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। দুটি ট্রাইব্যুনালে ১৭টি মামলা নিয়ে বিচার কাজ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ দুটি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ৪টি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন। ট্রাইব্যুনাল-২ প্রথম একটি রায় ঘোষণা করেন। ২১ জানুয়ারি বাচ্চু রাজাকার হিসেবে পরিচিত আবুল কালাম আজাদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- প্রদান করা হয়। যদিও তিনি পলাতক রয়েছে। একই ট্রাইব্যুনাল ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদ- প্রদান করা হয়। ৯ জুন জামায়াতের আরেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- প্রদান করা হয়। ১৫ জুলাই গোলাম আযমের রায়ে ৯০ বছরের কারাদ- প্রদান করা হয়। এর দু’দিন পর ১৭ জুলাই আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- প্রদান করা হয়।
সিএভির কতদিন পর রায় ॥ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ও ২ এ ১৭টি মামলার মধ্যে এ পর্যন্ত ৫টি মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায় ঘোষণার জন্য সিএভি রাখার পর ২৪ থেকে ২৭ দিনের মধ্যে এর রায়গুলো ঘোষণা করা হয়। শুধু মাত্র গোলাম আযমের বেলায় বেশি সময় লেগেছে। ১৭ এপ্রিল সিএভি রাখার পর ৯০ দিনের মাথায় আজ রায় ঘোষণা করা হচ্ছে। প্রথম মামলায় বাচ্চু রাজাকারের রায় ঘোষণার জন্য ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর সিএভিতে রাখা হয়। আর ২৭ দিন পর ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করা হয। দ্বিতীয় রায় ঘোষণা করা হয় কাদের মোল্লা মামলায়। চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারি সিএভিতে রাখা হয়। ২০ দিনের মাথায় ৫ ফেব্রুয়ারি রায় ঘোষণা করা হয়। তৃতীয় মামলা ছিল মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদীর। এটি সিএভি রাখা হয় ২৯ জানুয়ারি। আর ৩১ দিনে মাথায় রায় ঘোষণা করা হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ মামলা ছিল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের। ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণার জন্য সিএভি রাখা হয়। ২৪ দিনের মাথায় ৫ মে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ১৭ এপ্রিল গোলাম আযমের মামলার রায় ঘোষণা করার জন্য সিএভিতে রাখা হয়। এর ৯০ দিন পর ১৫ জুলাই রায় ঘোষণা করা হয়। অন্যদিকে আলী আহসান মুজাহিদের মামলার ৫ জুন রায় ঘোষণার জন্য সিএভিতে রাখা হয়। সিএভি রাখার ৪৩ দিনের মাথায় ১৭ জুলাই রায় ঘোষণা করা হয়।
অন্যান্য মামলার অবস্থান ॥ ১৭টি মামলার মধ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এখনও শুনানি চলছে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাশেম আলী, এটিএম ইউসুফ, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত মোঃ মোবারক হোসেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুনানি চলছে, বিএনপি নেতা আব্দুল আলীম, জাতীয় পাটির সৈয়দ মুহাম্মদ কায়সার, জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম ও জামায়াতের চৌধুরী মাঈনুদ্দিন ও আশরাফুজ্জামান খান। অন্যদিকে আরও ৬ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, এরা হলেন বিএনপি নেতা গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, বিএনপি নেতা জাহিদ হোসেন খোকন, মাওলানা আব্দুস সেবাহান, জাতীয় পাটির ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার, রাজাকার সিরাজুল ইসলাম মাস্টার, রুস্তম আলী, আমজাদ মিনা।
অক্টোবরে রায় কার্যকর ॥ একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা উচ্চ আদালতে শুনানির পর্যায়ে রযেছে। এ গুলো হলো, আব্দুর কাদের মোল্লা, দেলোওয়ার হোসাইন সাঈদী, মোহাম্মদ কামারুজ্জামান। প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজ জানিয়েছেন, আশা করছি অক্টোবরের মধ্যে মামলাগুলো নিষ্পত্তি হয়ে রায় কার্যকর হবে। তিনি আরও বলেন আপীলে কাদের মোল্লার মামলাটি শুনানিতে বেশি সময় লাগছে। অন্য মামলার ক্ষেত্রে এত সময় লাগবে না। সে ক্ষেত্রে আমাদের ধারণা অক্টোবরের জাতি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযুক্তদের সাজা কার্যকর করা হবে।
নির্বাহী আদেশেও করা যায় ॥ বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক শম রেজাউল করিম জনকণ্ঠকে বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এ্যাক্টে সংশোধনের ফলে সংগঠনের বিরুদ্ধেও বিচার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সংবিধানের ৩৭ ও ৩৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে এবং ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে প্রদত্ত একাধিক রায়ের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে অপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াতের বিরুদ্ধে নির্বাহী আদেশেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। উল্লিখিত অবস্থা এবং বাস্তবতা বিবেচনায় গ্রহণ করলে আইনানুগভাবেই জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে।
ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল ॥ ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালে চারটি সংগঠনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তেমনি ট্রাইব্যুনালের রায়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী মিলিটারিদের কার্যক্রমে সাহায্য করার জন্য ২টি শাখা গঠন করে। সুতরাং ঐতিহাসিকভাবে বলা যেতে পারে, জামায়াতে ইসলামী আলবদর, রাজাকার, আলশামস এবং শান্তিকমিটি গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বেসামরিক লোকজন এবং তাদের সম্পদ রক্ষা করার কোনক্রমেই কোন ভূমিকা রাখেনি। জামায়াতে ইসলামী ২টি প্যারমিলিটারি ইউনিট গঠন করে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৫০ হাজার রাজাকার রিক্রুট করা হয়। জামায়াতে ইসলামী আলবদরের দ্বারা সংগঠিত হত্যা, নির্যাতনের দায় এড়াতে পারে না।
জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা ॥ একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোতে রায় প্রদানের সময় ট্রাইব্যুনাল বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। সেখানে জাামায়াতে ইসলামীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মতামত দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয় পদ থেকে জামায়াতের ইসলামীর সদস্যদের সরিয়ে দিতে সরকারের প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে প্রসিকিউটর ড. তুরিন আফরোজ জনকণ্ঠকে বলেছেন, ট্রাইব্যুনালের এ পর্যক্ষেণের পর জামায়াতের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছে। আমরা সবকিছু পর্যালোচনা ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করছি। অতি অল্প সময়ের মধ্যে জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। বিচারাধীন মামলা প্রসঙ্গে তুরিন আফরোজ বলেন, সাকা ও আলীমের মামলা দুটি আগস্টের মধ্যেই শেষ হতে পারে। পাশাপাশি মতিউর রহমান নিজামীর মামলাটি সেপ্টেম্বর শেষে শেষ হবে বলে মনে হচ্ছে। আর আশরাফুজ্জামান খান, চৌধুরী মাঈনুদ্দীন মামলাটি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এটিও আগস্টের শেষে শেষ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
আসামি পক্ষ সময় নিচ্ছে ॥ প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত জানিয়েছেন, ট্রাইব্যুনালে মামলাগুলো দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্ত আমরা দেখছি মাঝে মধ্যে অহেতুক আসামি পক্ষ সময় নিচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো, অহেতুক তারা সময়ক্ষেপণ করার জন্যই এই কৌশল অবলম্বন করছে। তিনি আরও বলেন, আসামি পক্ষের এই কৌশল অবলম্বন সত্ত্বেও আশা করছি আগস্টের মাঝামাঝি অথবা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ৫টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে রায় ঘোষণা করা হবে।
আপীলে শুনানি ॥ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৫ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কাদের মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদ-াদেশ দেন। পরে ৩ মার্চ কাদের মোল্লার সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে সুপ্রীমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপীল করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরদিন ট্রাইব্যুনালের দেয়া সাজা বাতিল চেয়ে কাদের মোল্লাকে খালাসের আরজি জানিয়ে আপীল করে আসামি পক্ষ। ১৭ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) (সংশোধন) বিল, ২০১৩ জাতীয় সংসদে পাস হয়। সংশোধিত আইনে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও বাদীপক্ষের আপিলের সমান সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে ৬০ দিনের মধ্যে আপীল নিষ্পত্তির বিধানও রাখা হয়। আইনে রায়ের ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রীমকোর্ট আপীল বিভাগে আপীল করার বিধান রয়েছে। কিন্ত তা হচ্ছে না। আইনগত বিষয়ে মতামত নেয়ার জন্য দেরি হচ্ছে।
এ বিষয়ে আইনগত বিষয় শোনার জন্য আপীল বিভাগ এ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ করেন। তাদের মতামত শোনা হচ্ছে। এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত এ্যার্টনি জেনারেল এম কে রহমান বলেছেন, এ্যামিকাস কিউরিদের মতামতের জন্য কাদের মোল্লার মামলাটি শুনানিতে দেরি হচ্ছে। আশা করছি, অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে তা হবে না।

Friday, August 26, 2011

Ziaur Rahman & Brutality: Shelter and promoting war criminal

১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়া জেলার বাগমারা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান -
১। যিনি সেনাবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় ১৯৭১ সালে বিদ্রোহ করে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ।
২।যিনি মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ও ফোর্স অধিনায়ক ছিলেন যার বিরুদ্ধে মুজিবনগর সরকার/ সিইনসি ওসমানী শাস্তিমূ্লক ব্যবস্থা নেয় ।
৩।যিনি ১৯৭৫ সালে ঘাত-সংঘাতময় সময়ের এক দু্র্বোধ্য চরিত্র ছিলেন !
৪। যিনি ৭ নভেম্বর '৭৫ এ জাসদের বীরউত্তম কর্নেল তাহেরের [৩]পরিকল্পনা ও উদ্যোগে পরিচালিত কথিত সিপাহি জনতার অভ্যুত্থানে মুক্তিযুদ্ধের বীরসেনানি খালেদ-হায়দার-হুদার  লাশের উপর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন ২য় ফিল্ড রেজিমেন্টে ও ৪র্থ ইষ্ট বেঙ্গলের অফিসার ও সৈনিকদের প্রত্যক্ষ মদদে । ৫। যিনি তাহেরের সাথে প্রথম দেখায় (৭ নভেম্বর '৭৫) তাকে আলিঙ্গন করে বলেন -"ইউ আর মাই ব্রাদার , ইউ আর মাই সেভার" । আর ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হয়ে তাহের আর সিপাহিদের উপহার দেন ফাঁসি "Hang them by the neck till they are dead" -General Ziaur Rahman.  বীরউত্তম তাহেরের ফাঁসি তদারকি করেন বীর উত্তম মীর শওকত ।৫। বলা হয়, জিয়া তাহেরের সাথে বেঈমানি করেছেন । কথা সত্য কিন্তু জিয়া কার সাথে বেঈমানি করেননি ? বিধায়, জিয়ার পাওয়ারে আসার পাঁচ মাসের মধ্যেই কর্নেল রশিদ-কর্নেল ফারুক জিয়ার বিরুদ্ধে ক্যুর উদ্যোগ নেয়
৬। যার আমলে ১৯টি মতান্তরে ২০ টি ক্যু হয়েছে  । পিয়ালের মতও আমিও মনে করি "আসলে ক্যুর জুজু তুলে মুক্তিযোদ্ধা সামরিক অফিসারদের হত্যা এবং ফাঁসি দেওয়ার নীলনকশা ছিলো মাত্র।" তবে, শুধু "মুক্তিযোদ্ধা হত্যা" না বলে আমি বলব জিয়া তার নিরংকুশ ক্ষমতা বজায় রাখার স্বার্থে বিরুদ্ধ বা সম্ভাব্য শত্রুদের নির্মমভাবে হত্যা করেছেন । "He was a man who could kill with one hand &eat with the other"-A Zia colleague during the liberation war in Chittagong.  আর জিয়ার এই সব গণহত্যায় তার ডান হাত ছিলেন জেনারেল মন্জুর বীরউত্তম ,মীর শওকত বীরউত্তম আর লেজেহুমো এরশাদ । 
৭। যিনি সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এমন কথা জোরেশোরে বলা হয় যা একটি মিথ বৈ কিছু নয় ।
৮। যিনি সংবিধান থেকে 'ধর্মনিরপেক্ষতা'র উপরে কাঁচি চালিয়ে অন্তর্ভুক্ত করেন 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' মুলনীতি হিসেবে স্থাপন করেন - 'সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর আস্থা আর বিশ্বাস'কে। সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের উচ্ছেদ করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করার সুযোগ পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করেন ।
৯। রাজাকারদের শুধু রাজনীতি করার অধিকারই দেননি তাদের মন্ত্রীসভায়ও স্থান দেন । আন্তর্জাতিক রাজাকার শাহ আজিজকে বানান প্রধানমন্ত্রী । আরেক রাজাকার মওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ (শর্ষিণার পীর সাহেব)কে স্বাধীনতা পদক দিয়েছেন ।
১০। মুজিব হত্যায় তিনি জড়িত ছিলেন কিনা সেই প্রশ্নে না গিয়েও বলা যায় তিনি আগে থেকে জানতেন কিন্তু ঠেকাতে চাননি এবং পাওয়ারে এসেও তাদের বিচারের সম্মুখীন তো করেননি বরং বিচারের পথই রুদ্ধ করেন  । হত্যার রাজনীতি যে ভাল নয় তা' স্বয়ং জিয়া নিজের জীবন দিয়ে প্রমান করেন । ৩০ শে মে ১৯৮১ , রোজ শনিবার , ভোর সাড়ে চারটা , চিটাগাং সার্কিট হাউজ । বর্ষন শ্রান্ত রজনীর শেষ প্রহর , চট্রগ্রামবাসীদের চকিত শংকিত করে জেগে উঠল নৈশ স্তব্ধতা ভঙ্গকারী গোলাগুলির শব্দ । সার্কিট হাউজ চত্বর ভরে গেল ধোয়া আর বারুদের গন্ধে । সার্কিট হাউজে ঘুমিয়েছিলেন তিনি ।গোলাগুলির শব্দে উঠে বসলেন । কি ব্যাপার ? ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে বেরিয়ে এলেন দরজা খুলে , পরনে রাতে শয্যার পোষাক । গভীর আত্মপ্রত্যয় আর অগাধ আস্থা নিয়ে বেরিয়ে এলেন ।কি চাও তোমরা? কাছে দন্ডায়মান লে. মোসলেহউদ্দিন রীতিমত ঘাবরে যান । সে জিয়াকে আশ্বস্ত করে-‘‘স্যার আপনি ঘাবরাবেন না । এখানে ভয়ের কিছু নেই ।’’ মোসলেহউদ্দিনের ঠোট থেকে জিয়ার প্রতি আশ্বাসবানী মিলিয়ে যাবার আগেই লে. কর্নেল মতিউর রহমান তার এসএমজি থেকে অতি কাছ থেকে ব্রাশ ফায়ার করেন জিয়ার শরীরের ডানদিক একেবারে ঝাঝরা করে ফেলে । দরজার কাছেই মুখ থুবরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন জিয়া ।

লেখার ইতি টানছি জিয়াকে নিয়ে প্রফেসর আহমদ শরীফ স্যারের মূল্যায়ন দিয়েঃ
"জিয়া ছিলেন যুগপৎ ধূর্ত কপট প্রতারক ষড়যন্ত্রকারী।….এমন অমানুষ সত্যি দুর্লভ " 

রেফারেন্সঃ
৬। Bangladesh: A Legacy of Blood, by Anthony Mascarenhas, Hodder and Stoughton, 1986
৭। প্রাগুক্ত
৯। Anthony Mascarenhas, প্রাগুক্ত


বিচারের আগেই তাহেরকে ফাঁসিতে ঝোলানোর সিদ্ধান্ত ছিল জিয়ার, এই বিচার অসাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় অপরাধ ----

কালের কণ্ঠ

সামরিক ট্রাইব্যুনালে কথিত বিচারের আগেই জিয়াউর রহমান ব্যক্তিগতভাবে লে. কর্নেল এম এ তাহেরকে ফাঁসিতে ঝোলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ কারণে ক্যাঙ্গারু আদালতে সাজানো বিচার করে তড়িঘড়ি ফাঁসি কার্যকর করা হয়। কর্নেল তাহেরসহ অন্যদের বিচার ছিল একটি অসাংবিধানিক ব্যবস্থা। এটি একটি রাষ্ট্রীয় অপরাধ।
এসব কথা লিখিতভাবে হাইকোর্টকে জানিয়েছেন হংকং থেকে প্রকাশিত ফার ইস্টার্ন ইকোনমিক রিভিউর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সাবেক প্রতিনিধি লরেন্স লিফশুলজ। জিয়াউর রহমানের এ পরিকল্পনার কথা তাঁকে জানিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সেইসময়কার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মঞ্জুর। লিফশুলজের এ লিখিত বক্তব্য গতকাল বৃহস্পতিবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেনের বেঞ্চে উপস্থাপন করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান।হাইকোর্ট গত ২০ জানুয়ারি এক আদেশে লরেন্স লিফশুলজকে ২৬ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে উপস্থিত হয়ে কর্নেল তাহেরের বিচার সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। আদালতের এ অনুরোধ রাষ্ট্রপক্ষ ই-মেইলের মাধ্যমে লিফশুলজকে জানানকিন্তু তাঁর ছেলে মারাÍক দুর্ঘটনার শিকার হওয়ায় তিনি এ সময় বাংলাদেশে আসতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে তাঁর বক্তব্য হলফনামা আকারে বাংলাদেশের দূতাবাসে দাখিল করেছেন। একই বক্তব্য ই-মেইলে এম কে রহমানের কাছে পাঠিয়েছেন। ই-মেইলে পাঠানো এ বক্তব্যই গতকাল আদালতে উপস্থাপন করা হয়। 
কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়ার পর তাঁর বিচার নিয়ে লিফশুলজের তিনটি প্রতিবেদন ১৯৭৬ সালের ২৩ ও ২৪ জুলাই ডেইলি স্টার প্রকাশ করে। লিফশুলজ ১৯৭৬ সালে কর্নেল তাহেরের বিচার পর্যবেক্ষণ এবং এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। কর্নেল তাহেরের গোপন বিচার সম্পর্কে আগে থেকেই মেজর জেনারেল মঞ্জুরের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছিলেন। মঞ্জুর তাঁকে এই বিচার বিষয়ে বিদেশি সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের অনুরোধ করেন। কিন্তু তৎকালীন সামরিক কর্মকর্তারা তাঁকে বিচারের সংবাদ সংগ্রহ করতে দেননি। তাঁকে কারাগারের সামনে থেকে আটক করে বাংলাদেশ থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর এ কারণেই আদালত লিফশুলজের বক্তব্য শুনতে চান। ওই তিনটি প্রতিবেদন তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিকে কর্নেল তাহেরের বিচারের সময় সেনাবাহিনীতে কর্মরত মেজর জেনারেল নূরুল ইসলাম শিশুকে আদালতে হাজির হওয়ার সময়সীমা ১৩ ফেব্রয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত।লিফশুলজ আরো জানিয়েছেন, তাহেরের বিচার ও ফাঁসি ঠেকাতে চেষ্টা করেও সফল হননি জেনারেল মঞ্জুর। সব আইন-কানুন ও বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে তাঁকে ওই বিচারের মুখোমুখি করা হয়। এ বিষয় নিয়ে তিনি জিয়াউর রহমানের একটি সাক্ষাৎকার নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু জিয়া তাতে রাজি হননি। লিফশুলজ আরো বলেন, ‘আমার অভিমত, ১৯৭৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে ঢাকায় একটি হƒদয়বিদারক অপরাধ (ট্র্যাজিক ক্রাইম) ঘটানো হয়েছিল। আমিই ছিলাম এ ঘটনার একমাত্র নিরপেক্ষ সাক্ষী।তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালের ২৮ জুন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করেছি। তাহেরের বিচারকে কেন্দ্র করে সেখানে একটি যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছিল। দেখে মনে হয়েছিল, যেন সেনাবাহিনী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারাগারের দেয়াল ঘেঁষে মেশিনগান বসানো হয়।তিনি বলেন, ‘১৯৭৬ সালের জুনের প্রথম দিকে কাঠমান্ডু থেকে ঢাকায় আসি আমি। এর আগে ১৯৭৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মতো হƒদয়বিদারক ঘটনা সম্পর্কে প্রতিবেদন তৈরি করেছি। একই বছরের ৭ নভেম্বরের ঘটনা সম্পর্কেও রিপোর্ট করেছি।’লিফশুলজ আরো বলেন, ‘আমি ঢাকায় নেমে মেজর জেনারেল মঞ্জুরের সঙ্গে যোগাযোগ করি। মঞ্জুর একসময় সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ ছিলেন। এর আগে ১৯৭৪ সালে তাঁর সঙ্গে নয়াদিল্লিতে পরিচয়। তখন মঞ্জুর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর হয়ে ভারতে দায়িত্বরত ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা শুনেছি। তিনি, কর্নেল তাহের ও মেজর জিয়াউদ্দিন একসঙ্গে পাকিস্তান থেকে কাশ্মীর সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কর্নেল তাহের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। রিভিউর বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার কারণে বাংলাদেশের অনেক সামরিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে আমার আগে থেকেই জানাশোনা ছিল।
তিনি বলেন, ‘ঢাকায় আসার কথা শুনে মঞ্জুর খুব খুশি হয়েছিলেন। তিনি আমাকে একদিন সেনাসদরে ডাকলেন। এক রাতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। সে সময় তিনি (মঞ্জুর) আমাকে কর্নেল তাহেরের গোপন বিচার সম্পর্কে তথ্য দেন এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে রিপোর্ট করার অনুরোধ জানান। ওই সময় মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি সেনাবাহিনীতে প্রভাব বিস্তার করছিল।
লিফশুলজ বলেনআমি জেনারেল জিয়ার একটি সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করি। এ জন্য তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আমাকে প্রশ্নের তালিকা তৈরি করতে বলেন। আমি তালিকা করি। সেখানে ফারাক্কা সমস্যাসহ ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে প্রশ্ন ছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সম্পর্কেও প্রশ্ন লিখি। সেখানে লিখি কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে আপনার জীবন রক্ষা করা হয়েছিল। কেন তাহেরকে গ্রেপ্তার করা হলো, কেন তাঁকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে না, কেন তাঁকে আটক রাখা হয়েছে? এসব প্রশ্ন লিখি। কিন্তু আমাকে সাক্ষাৎকার দেওয়া হলো না। এতে আমি আশ্চর্য হইনি। কারণ ওই জেনারেলের অন্য পরিকল্পনা ছিল।
লিফশুলজ আরো বলেন, ‘আমি ইংল্যান্ডের ক্যাম্ব্রিজে বসবাস করছিলামতখন মঞ্জুর আমাকে বলেছিলেন, তিনি তাহেরের বিচার বন্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর তৃতীয় ব্যক্তি হওয়ার পরও তখন তিনি ছিলেন ক্ষমতাহীন। 
সামরিক আদালতে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার কর্নেল (অব.) তাহের এবং তাঁর সঙ্গীদের বিচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা পৃথক চারটি রিট মামলা বিচারাধীন। এরই মধ্যে এ মামলায় হাসানুল হক ইনু এমপি, মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. এ এম এম শওকত আলী, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না, জাসদ নেতা বদরুল আলমের বক্তব্য গ্রহণ করেছেন আদালত। 
কর্নেল তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের, অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন ও একই বিচারে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত তাঁর আরেক ভাই প্রয়াত ফ্লাইট সার্জেন্ট আবু ইউসুফ খানের স্ত্রী ফাতেমা ইউসুফ, জাসদ নেতা হাসানুল হক ইনু ও রবিউল আলম ও মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিনসহ ৯ জন চারটি রিট আবেদন করেন।
তাহেরের বিচারের বৈধতা নিয়ে প্রথম রিট আবেদনের পর গোপন বিচারের নথি তলব করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাহেরের বিচারের জন্য সামরিক আইনের মাধ্যমে জারি করা আদেশ এবং এর আওতায় গোপন বিচার ও ফাঁসি কার্যকর করাকে কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে নাÑতা জানাতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সরকার বিচারের কোনো নথি আদালতে দাখিল করতে পারেনি।
১৯৭৬ সালে সামরিক আদালতে কর্নেল তাহের, হাসানুল হক ইনু এমপির সঙ্গে মেজর (অব.) জিয়াউদ্দিনসহ অপরাপর ব্যক্তিদের বিচার করা হয়। কর্নেল তাহেরসহ ১৭ জনকে সামরিক আদালতের গোপন বিচারে ১৯৭৬ সালের ১৭ জুলাই সাজা দেওয়া হয়। এরপর ২১ জুলাই ভোররাতে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
রিটে ১৯৭৬ সালের ১৬ নম্বর সামরিক ফরমানের আওতায় আদালত গঠন ও বিচারকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা, দণ্ড বাতিল ও তাঁদের হারিয়ে যাওয়া সামাজিক মর্যাদা ফিরে পাওয়ার আবেদন জানানো হয়।

Saturday, June 19, 2010

WAR CRIMINAL NIZAMI & GENOCIDE BANGALEE IN 1971


Motiur Nizami, 2004: the mastermind of all political killings and patron of various Mujahedin forces and Jihadist terrorist cells.The chief of operations of the al-Badr (Jamati death squad) forces, Motiur Rahaman Nizami is responsible for the murder of thousands of Bengalis involved in or connected to the liberation war. Son of Khondokar Lutfar Rahman of Monmothpur village under Sathia PS in Pabna district, Motiur has nothing to do with the title Nizami (Nizam means aristocrat i.e. Nizam of Hyderabad, India) at all . Like his other Islamist peers Motiur took up his title Nizami in order to make his name sound respectable, conceal his lowly origin and his base nature. The people of his village hated him so much for his shameless betrayal of his own countrymen that they still call him Moitya Dalal (traitor). Motiur is presently the minister for industries in Khaleda Zia's cabinet--a reward for Motiur's support of the Pakistani hunks Khaleda desrted her husband for in 1971.
Motiur Nizami's War Crimes in 1971

Motiur carried out a wide range of activities against the Bangladesh liberation war of 1971. Motiur was the president of Jamat's youth front, the Islami Chhatra Sangha (now known as Islami Chhatra Shibir or the Islamic Students' Association). Under Motiur's direct supervision and leadership, the al-Badr (para-militia) force was organised in order to eliminate the freedom fighters and supporters of liberation movement. Motiur was the commander-in-chief of al- Badr forces. Apart from killing the freedom fighters and supporters of liberation movement, the aim of ideological warfare waged by the al-Badr forces was to Islamization (Talibanisation) of Bangladesh. One of the main objectives of al-Badr forces was to short list the secular Bangalee intellectuals and eliminate them. Horrifying stories of killing of intellectuals by Motiur's al-badr forces were published in newspapers, home and abroad, during and after the liberation war.

1. During the war Motiur acted as one of the top Jamati ideologues instigating his cohorts and followers by means of public speech and newspaper articles to support the Pakistani occupation army in killing the freedom fighters and supporters of liberation war. In one of the issues of Daily Sangram, the Jamati mouth piece, Motiur wrote : The day is not far away when the young men of al-Badr, hand in hand with the armed forces, will defeat the Hindu forces (enemies) and raise the victorious banner of Islam all over the world, after the destruction of India. (Daily Sangram Nov 14, 1971)

2. On April 12, 1971, Motiur joined Gholam Azam and other leading collaborators such as Sabur Khan to lead a procession in Dhaka to demonstrate their support for Pakistan. The procession, under the banner of peace committee ended with a special prayer for the victory of Pakistan. (Daily Sangram April 13, 1971).

3. In Jessore, a bordering district, Motiur, in addressing the assembly of the para militia forces at the district head quarter of the Razakar force, said: In this hour of national crisis, it is the duty of every razakar to carry out his national duties to eliminate those who are engaged in war against Pakistan and Islam. (Daily Sangram Sept 15, 1971)

3. People from Motiur's home district, Pabna, have brought allegations against Motiur's direct involvement in killing, rape, arson and lootings. One such person is Aminul Islam Dablu of Brishlika village under the Bera Police Station (in Bangladesh, due to the colonial legacy, all administrative units below districts are organised under a police station, PS, hence all sub-districts are called Thana or PS). Dablu told the commission that his father Mohamed Sohrab Ali was killed on the orders of Motiur. Dablu further said that a number of people from the area were killed on Motiur's orders such as: Profulla Pramanik, Bhadu Pramanik, Manu Pramanik and Shashthi Pramanik. Dablu said there were many eye witnesses to those killings.

4. Abdul Quddus, a freedom fighter from Madhabpur village in Pabna, once spent two weeks in an al-Badr torture cell following his arrest in an uneven war. Quddus said he heard plans to kill freedom fighters and local supporters of the war were discussed and drawn up by al-Badr men under Motiur's supervision.

5. On November 26 a razakar commander named Sattar took Pakistani troops to the Dhulaupara village where 30 freedom fighters were arrested and subsequently killed. As per Quddus's testimony, Sattar carried out the execution on Motiur's order. Quddus told the commission that he managed to attend a secret meeting of al-Badr forces which Motiur presided and gave instructions to kill freedom fighters. In the meeting the al-Badr men listed the houses of Awami League leaders and the bases and hide-outs of the freedom fighters. Motiur sternly ordered his men to finish off Awami League supporters and possible bases and safe houses being used by freedom fighters were identified. Quddus said Motiur gave orders to finish off Awami League supporters and destroy bases of the freedom fighters. The day after the meeting, Al-Badr forces, in cooperation with Razakars, surrounded Brishlika village and burnt it to the ground.

6. Quddus also said Motiur himself bayoneted to death one Bateswar Saha of Madhabpur village in Sathia PS.

7. In Pabna Motiur led the killing of a young freedom fighter Latif and his group. Latif was only 19 years old and a first year student of Pabna Edward College. Latif's small group was captured by the Pakistani occupation army in an uneven combat at Dhuliuri. They were then handed over to Motiur's gang for execution. Motiur's lieutenants publicly slew Latif's co-fighters with big camp knifes especially used for slaughtering bulls for sacrifice (during Islamic festival called korbani) as a part of Islamic ritual. The bastards in Motiur's group celebrated the killing of the captured freedom fighters with cannibalistic zeal. They gouged Latif's eyes, chopped off his genitalia and tied his dead body on a stick at Shanthia (Badshah, a socialist activist was killed in the same way by one of Motiur's top killer gang-JMJB in May 2004, please see Islamist Extremism in Bangladesh page). Latif's father Sufian Paramanik is a witness to his son's brutal murder and the razakars' frenzied outburst of pleasure in killing the brave sons of the soil.

8. Latif's brother Shahjahan Ali, a freedom fighter himself from Madhabpur village, nearly met the same fate. After slaughtering Shahjahan, along with his co-fighters, in Islamic manner, Motiur's people left him taking him for dead. But Shahjahan was a die hard freedom fighter. The slayer's knife could not take his life. Deadly wounded, Shahjahan lay on ground for hours. Foxes smelled at him, dogs bit him. Fortunately his relatives came by before it was too late and saved his life. Motiur's knife could not take Shahjahan's life, but took away his voice: now Shahjahan is paralyzed and can't talk carrying a big scar on his throat-Motiur's kiss of death.

Verifiable list of people killed by Motiur and his al-Badr forces:
Mohd Sohrab Ali Profulla Pramanik Bhadu Pramanik
Monu Pramanik Shashati Pramanik Bateswar Saha
Freedom fighter Latif 30 freedom fighters in Latif's group Dara
Chand Muslem Akhter
Kabir

In 1971 Motiur was personally involved in killing of hundreds of Hindus and confiscating their assets and properties. By confiscation and extortion of large amount of money, jewellery and assets from the wealthy Hindu families, Motiur became a millionaire within nine months of the war. During the Sheikh Mujib government (1971-75) Motiur went underground in order to escape conviction as a war criminal. In 1976, as a part of General Zia's razakar rehabilitation program, Motiur resurfaced and took charge as the second in charge of Jamat-e-Islam. Motiur is presently the chief of Jamat-e-Islam.

Besides his involvement in assassination, murder, extortion and confiscation, Nizami is also committed to establish Jamati ideological hegemony (a Maududi version of Islamic fundamentalism) to perpetuate the Islamic fundamentalism in Bangladesh. Since 1976, thanks to the political backing of the so-called freedom fighter Gen Zia and financial generosity of the Islamic countries like Saudi Arab, Iran and Libya, Motiur and his gang invested millions of dollars to open hundreds of Islamic kindergartens around the country. The syllabi and curricula of those kindergartens are based on the precepts of Maudoodi, the spiritual guru of Jamat-e-Islam. This network of schools enabled Jamat-e-Islam to sustain a huge number of their cadres as employees of those schools. From organizational point of view, those schools are a big success for Jamat-e-Islam: it secured them a sustaining source of income (education is the most thriving business in Bangladeshi cities) and employment for its cadres in education industry. But intellectually those schools cripple the students forever as they teach pre Copernican /Ptolemaic world views, orient them to alien Arabic culture and emotionally invest them with jejune Islamic sentiments.

Jamat's goal to render intellectual bankruptcy is not confined to pre school stage only. Motiur successfully expanded its mission to the tertiary level as well. Motiur's wife founded an English medium college in the most aristocratic residential area in Dhaka city. The college boasts of having international educational standard as its name indicates " Manarat International College". The off-springs of the Muslim Bangladeshi elites swarm into that so-called English medium college. Manarat is an English medium college in the limited sense that it disseminates its knowledge in English language. But what constitutes its epistemological corpus? Koran and all forms of Arabic medieval precepts. The graduates from Manarat college are apparently smart (as the definition of smart in Bangladesh means ability to speak trash in English) but intellectually and attitudinally medieval: perfect elements for Islamic fundamentalism. Politically Gholam Azams and Mainuddins are feared monsters, but culturally Motiur's and Saidi's are more corrosive and their impact on society is far reaching.

Other crimes by Motiur Nizami

1. After the election in 2001, Motiur Nizami's armed men forced the members of 20 Hindu families in Pagla Haldar Para, part of Nizami's constituency, to eat beef. (Daily Janakantha 10 Oct 2004)

2. Although Jamat preaches Wahabism its head Nizami gave a lavish Iftar party in the most expensive hotel in Bangladesh (Sonargaon) on 11 November 2003 when the northern districts of Bangladesh were devastated with famine. In the Iftar party Nizami invited top 550 elites of the country and spent 300,000 taka.

GENOCIDE BANGALEE IN 1971


The genocide committed by the Pakistan army during the Bangladesh Liberation War of 1971 is no exception. Because of the scale of the atrocities in 1971 against a civilian population of 70 million people it has proved impossible for genocide deniers to claim that the atrocities did not occur. Instead, they have focused on two tactics used to try to deny the Holocaust: that the scale of the genocide was not that great, and that the Pakistan army had no systematic policy of genocide.
Most estimates of the 1971 genocide put the death toll between 300,000 and 3 million Bangladeshis dead, with between 200,000 to 400,000 women raped. R.J Rummel, in his book Statistics of Democide: Genocide and Mass Murder Since 1900, puts the death toll at around 1.5 million. According to Gendercide Watch:
The number of dead in Bangladesh in 1971 was almost certainly well into seven figures. It was one of the worst genocides of the World War II era, outstripping Rwanda (800,000 killed) and probably surpassing even Indonesia (1 million to 1.5 million killed in 1965-66).
Susan Brownmiller, in her book Against Our Will: Men, Women and Rape, puts the number of women raped by the Pakistan military and their local collaborators, the Razakars, between 200,000 and 400,000. She writes:
Rape in Bangladesh had hardly been restricted to beauty. Girls of eight and grandmothers of seventy-five had been sexually assaulted … Pakistani soldiers had not only violated Bengali women on the spot; they abducted tens of hundreds and held them by force in their military barracks for nightly use.
On March 25, 1971 the Pakistan army unleashed a systematic campaign of genocide on the civilian population of then East Pakistan. Nine months later a defeated Pakistan army left in its wake one of the most concentrated acts of genocide in the twentieth century.
After the Bangladesh Liberation War the government of Pakistan produced a report on the actions of the Pakistani army during 1971 known as the Hamoodur Rahman Commission Report. While the report acknowledged that the Pakistani army had indeed committed atrocities in Bangladesh, it downplayed the extent of the atrocities and denied that there was any systematic policy of genocide:
31. In the circumstances that prevailed in East Pakistan from the 1st of March to the 16th of December 1971, it was hardly possible to obtain an accurate estimate of the toll of death and destruction caused by the Awami League militants and later by the Pakistan Army. It must also be remembered that even after the military action of the 25th of march 1971, Indian infiltrators and members of the Mukti Bahini sponsored by the Awami League continued to indulge in killings, rape and arson during their raids on peaceful villages in East Pakistan, not only in order to cause panic and disruption and carry out their plans of subversion, but also to punish those East Pakistanis who were not willing to go along with them. In any estimate of the extent of atrocities alleged to have been committed on the East Pakistani people, the death and destruction caused by the Awami League militants throughout this period and the atrocities committed by them on their own brothers and sisters must, therefore, be always be kept in view.
32. According to the Bangladesh authorities, the Pakistan Army was responsible for killing three million Bengalis and raping 200,000 East Pakistani women. It does not need any elaborate argument to see that these figures are obviously highly exaggerated. So much damage could not have been caused by the entire strength of the Pakistan Army then stationed in East Pakistan even if it had nothing else to do. In fact, however, the army was constantly engaged in fighting the Mukti Bahini, the Indian infiltrators, and later the Indian army. It has also the task of running the civil administration, maintaining communications and feeding 70 million people of East Pakistan. It is, therefore, clear that the figures mentioned by the Dacca authorities are altogether fantastic and fanciful.
33. Different figures were mentioned by different persons in authority but the latest statement supplied to us by the GHQ shows approximately 26,000 persons killed during the action by the Pakistan Army. This figure is based on situation reports submitted from time to time by the Eastern Command to the General Headquarters. It is possible that even these figures may contain an element of exaggeration as the lower formations may have magnified their own achievements in quelling the rebellion. However, in the absence of any other reliable data, the Commission is of the view that the latest figure supplied by the GHQ should be accepted. An important consideration which has influenced us in accepting this figure as reasonably correct is the fact that the reports were sent from East Pakistan to GHQ at a time when the Army Officers in East Pakistan could have had no notion whatsoever of any accountability in this behalf.
The Report’s estimate of 26,000 dead stands in stark contrast to every other study of the death toll, which put the death toll between 300,000 to 3 million. The Report was an attempt by the Pakistani government and army to dictate the narrative before the true extent of the genocide became evident to the world. The Pakistani Report has nonetheless stood as the document of last resort for most 1971 genocide deniers.
Following up on her 2005 paper denying the extent of the 1971 genocide published in the Economic and Political Weekly,Sarmila Bose has now published a paper denying the extent of the rapes of Bangladeshi women by the Pakistan army and the Razakars. In her paper entitled “Losing the Victims: Problems of Using Women as Weapons in Recounting the Bangladesh War” she states in the introduction:
That rape occurred in East Pakistan in 1971 has never been in any doubt. The question is what was the true extent of rape, who were the victims and who the perpetrators and was there any systematic policy of rape by any party, as opposed to opportunistic sexual crimes in times of war.
At the very beginning of her paper, she lays down the two tactics familiar to all genocide deniers: she questions the extent of the rape and questions whether there was any systematic policy of rape. Ms. Bose argues that claiming “hundreds of thousands” were raped trivializes “the possibly several thousand true rape victims” of the war. She however does not offer a good explanation as to how she reached the “several thousand” number other than saying that so many rapes would not be possible by the size of the Pakistani army in 1971. She also, unsurprisingly, quotes the passage from the Hamoodur Rahman Commission Report that I cited above to support her assertion that so many rapes could not have occurred.
To try to bolster her argument that the Pakistani forces in Bangladesh could not have raped so many women, she claims:
The number of West Pakistani armed forces personnel in East Pakistan was about 20,000 at the beginning of the conflict, rising to 34,000 by December. Another 11,000 men — civil police and non-combat personnel — also held arms.
For an army of 34,000 to rape on this scale in eight or nine months (while fighting insurgency, guerrilla war and an invasion by India), each would-be perpetrator would have had to commit rape at an incredible rate.
[A Pakistan stamp depicting the 90,000 PoWs in Indian camps. This stamp was issued with the political aim of raising the POW issue at a global level in securing their release.]
The actual number of Pakistani forces at the end of the war, and taken PoW by the Indians, was 90,368, including over 54,000 army and 22,000 paramilitary forces. It is not unreasonable to conclude that a force of 90,000 could rape between 200,000 to 400,000 women in the space of nine months. Even if only 10% of the force raped only one woman each in nine months, the number of rapes are well over “several thousand” claimed by Ms. Bose. Since Ms. Bose does the math in her paper, I will do the macabre calculation for the total force here. To rape 200,000 Bangladeshi women a Pakistani force of 90,000 would have to rape 2 to 3 women each in nine months. Not only is this scale of atrocity possible by an army engaged in a systematic campaign of genocide, it also has parallels in other modern conflicts (for example, therape of between 250,000 to 500,000 women in Rwanda within 100 days).
Ms. Bose also paints a picture of the Pakistani military as a disciplined force that spared women and children. She writes:
During my field research on several incidents in East Pakistan during 1971, Bangladeshi participants and eyewitnesses described battles, raids, massacres and executions, but told me that women were not harmed by the army in these events except by chance such as in crossfire. The pattern that emerged from these incidents was that the Pakistan army targeted adult males while sparing women and children.